April 10, 2026, 3:03 am

সংবাদ শিরোনাম
সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে আশরাফুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে বন্ধুরা

মামুন সরকার,বিশেষ প্রতিনিধিঃ

mostbet

প্রতিকি ছবি

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলামকে (২০) বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ পাশের গ্রামের সরিষা ক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যায় বন্ধুরা।নিহত আশরাফুল ইসলাম উপজেলার নরিনা ইউনিয়নের নরিনা নতুনপাড়া হানিফনগর গ্রামের আজিত প্রামাণিকের ছেলে। তিনি সাতবাড়িয়া আব্দুস সামাদ আজাদ টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।এ হত্যার দায় স্বীকার করে গত ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং তারিখ রোববার দুপুরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ইউসুফ আলী মোল্লা নামে এক যুবক।ইউসুফ আলী মোল্লা (১৯) নামের ওই যুবক একই গ্রামের মৃত আবু তালেব মোল্লার ছেলে। পুলিশ তাকে গত ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং তারিখ শনিবার রাত ১০টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে সন্দেহজনকভাবে আটক করে।শাহজাদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহীদুল ইসলাম জানান, ইউসুফ আলী মোল্লাকে এ দিন দুপুর ১২টার দিকে শাহজাদপুর চৌকি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আবু শাহীন খান কনকের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর বিচারক তার খাসকামরায় দীর্ঘ ২ ঘণ্টাব্যাপী ইউসুফের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।শাহজাদপুর আদালতের সিএসআই মো. ফজলে বারি জানান, আদালতের নির্দেশে বিকাল ৪টার দিকে তাকে সিরাজগঞ্জ জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।এ দিকে এ ঘটনায় গত ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং তারিখ শনিবার রাতে নিহতর বাবা আজিত প্রামাণিক বাদী হয়ে শাহজাদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।উল্লেখ্য, গত ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং তারিখ শুক্রবার রাতে বন্ধুরা আশরাফুল ইসলামকে মোবাইল ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ পাশের গ্রামের সরিষা ক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যায় তারা।শাহজাদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহীদুল ইসলাম জানান, ঘাতক ইউসুফ আলী মোল্লা এ হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতকে বলেন, প্রেম ঘটিত ও জমির মাটিকাটা নিয়ে বিরোধের জের ধরে গত ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং তারিখ শুক্রবার রাতে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে নেশাদ্রব্য সেবন করিয়ে আশরাফুলকে অচেতন করা হয়। পরে জিআই তার দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ ঘটনাস্থলে ফেলে সে পালিয়ে যায়।তিনি আরও বলেন, ইউসুফের বক্তব্য তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া সে আরও যাদের নাম বলেছে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।এ হত্যার ঘটনায় নিহতের মা কোহিনূর বেগম ও চাচাতো ভাই আবদুল কুদ্দুস জানান, গত ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং তারিখ শুক্রবার সন্ধ্যায় আশরাফুল বাড়িতে কাজ করছিল। এ সময় তার মোবাইল ফোনে কল আসে। এরপর সে খেয়াঘাট বটতলা থেকে ঘুরে আসি বলে বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। শনিবার এলাকাবাসীর মুখে খবর পেয়ে তারা ছুটে এসে আশরাফুলের লাশ পাশের গ্রাম জয়রামপুরের একটি সরিষা ক্ষেতে পড়ে থাকতে দেখতে পায়।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/৩০ ডিসেম্বর ২০১৯/ইকবাল

 

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর